
ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক
রাইট উইঙ্গার ১০- জাতীয়তা: যুক্তরাষ্ট্রের
- মোট গোল: ০
- মোট অ্যাসিস্ট: ০
- মোট দলভুক্ত: ০
- মোট খেলা: ০
- বয়স: ২৭
- উচ্চতা: ১০০০ মিটার
- ওজন: ০ কেজি
- পা: ডান পা
- হলুদ কার্ড: ০
- লাল কার্ড: ০
রাইট উইঙ্গার
ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক: যিনি ইউরোপের বড় মঞ্চে আমেরিকাকে পরিচিত করালেন
ফুটবলকে যখন ইউরোপের সীমা ছাড়িয়ে বৈশ্বিক করে তোলার কথা বলা হয়, তখন ক্রিস্টিয়ান পুলিসিকের নাম আলাদা করে উচ্চারিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের হার্শি শহরের এক সাধারণ ছেলেটি আজ এসি মিলান ও মার্কিন জাতীয় দলের অন্যতম ভরসা। গতি, ড্রিবলিং আর চাপের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাকে আধুনিক আমেরিকান ফুটবলের প্রতীক বানিয়েছে।
শৈশব থেকে ইউরোপে প্রথম পদচারণা
১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া পুলিসিক ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে যান। ইংল্যান্ডে কিছু সময় কাটানোর সময় স্থানীয় ক্লাব ব্র্যাকলি টাউনে ফুটবলের ভিত্তি গড়ে ওঠে তার। পরে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে নিজের প্রতিভা আরও শাণিত করেন এবং খুব দ্রুতই ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর নজরে চলে আসেন।
ডর্টমুন্ডে বিস্ফোরণ
মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি জার্মান ক্লাব বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের একাডেমিতে যোগ দেন। ১৭ বছরেই বুন্দেসলিগায় অভিষেক ঘটে তার, যা তাকে বিশ্ব ফুটবলে ‘উইন্ডো ট্যালেন্ট’ হিসেবে পরিচিত করে। এই সময়েই তিনি বড় ম্যাচে ভয় না পাওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলেন।
চেলসিতে সবচেয়ে বড় মঞ্চ
২০১৯ সালে ইংলিশ ক্লাব চেলসিতে যোগ দিয়ে পুলিসিক নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ধাপে পা রাখেন। ২০২১ সালে তিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা প্রথম মার্কিন ফুটবলার হয়ে ইতিহাস গড়েন। সেই সঙ্গে সুপার কাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতাও তার ঝুলিতে যোগ হয়।
এসি মিলানে নতুন অধ্যায়
২০২৩ সালে তিনি ইতালির এসি মিলানে যোগ দেন। সেখানে এসে দ্রুতই দলের আক্রমণভাগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠেন। চাপের ম্যাচে গোল করা, উইং থেকে গেম বদলে দেওয়া এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স তাকে সিরি আ-তেও শক্ত অবস্থান এনে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের মুখ এবং নেতৃত্বের প্রতীক
মাত্র ১৭ বছর বয়সে মার্কিন জাতীয় দলে অভিষেক ঘটে তার। খুব অল্প বয়সেই তিনি অধিনায়কত্বের দায়িত্বও পান, যা তার নেতৃত্বগুণের বড় প্রমাণ। কনকাকাফ নেশন্স লিগসহ একাধিক শিরোপা জয়ে তিনি দলের মূল ভূমিকা পালন করেন। পুলিসিকের গল্পটা শুধু একজন প্রতিভাবান ফুটবলারের নয় এটা এমন এক খেলোয়াড়ের গল্প, যিনি আমেরিকান ফুটবলকে ইউরোপের সবচেয়ে বড় মঞ্চে জায়গা করে দিয়েছেন, আর নিজের নামকে গড়ে তুলেছেন আধুনিক যুগের অন্যতম পরিচিত উইঙ্গার হিসেবে।


