‘সেনা’ দেশে আরও টেস্ট চান নাজমুল

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬:৫২, ২৩ আগস্ট ২০২৬

‘সেনা’ দেশে আরও টেস্ট চান নাজমুল

SENA দেশগুলোর কঠিন কন্ডিশনে বেশি বেশি লাল বলের ক্রিকেট খেলার প্রত্যয় শান্তর। ছবি- বিসিবি

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। ডারউইনে ইতিহাস গড়লেও মেকাইয়ে ব্যাটিং ধসে ইনিংস ও ৫১ রানের ব্যবধানে হেরে সিরিজ শেষ করতে হয়েছে ১-১ সমতায়। তবে এই সিরিজের মাঝেই সুখবর পেয়েছে বাংলাদেশ। আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে দল। এমন অর্জনকে বড় সাফল্য বললেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর চাওয়া আরও বড়। 

সেনা/SENA (সাউথ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া) দেশগুলোতে নিয়মিত খেলার সুযোগ চান বাংলাদেশের অধিনায়ক।  আইসিসির হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম টেস্টে ডারউইনে ঐতিহাসিক জয়ের সুবাদে ৯ নম্বর থেকে ৬ নম্বরে উঠে এসেছে। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অবস্থান। পাশাপাশি নয় দলের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও বাংলাদেশ রয়েছে আগের চতুর্থ স্থানে।

র‍্যাংকিংয়ে ছয়ে ওঠার বিষয়ে নাজমুল বলেন, ‘অবশ্যই এটা ভালো খবর। আমি মাত্রই শুনলাম। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ছয়ে ওঠা বিশাল অর্জন। তবে এই টেস্টে আমরা আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলে আরও ভালো লাগতো।’

অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে স্বাগতিকদের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলা সহজ নয় বলেও মনে করেন নাজমুল, ‘আমরা ২৩ বছর পর এখানে এসেছি। এই কন্ডিশনে এই মানের একটি দলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সহজ নয়। আমরা যদি নিয়মিত এখানে আসতে পারি, তাহলে খেলোয়াড়রা এখানকার পরিবেশে খেলার ধারণা পাবে। অস্ট্রেলিয়ায় খেলার আরও অভিজ্ঞতা হবে। তারা এই ধরনের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারবে।’

ডারউইনের তুলনায় মেকাইয়ের উইকেটে বাংলাদেশের ব্যাটারদের জন্য গতি ও বাউন্স ছিল বেশি চ্যালেঞ্জিং। ফলে দুই ইনিংসেই বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৬৪ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৯৫ রানে অলআউট হয় তারা। ম্যাচে একাই ১০ উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক।

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের টেস্ট খেলার মধ্যে ২৩ বছরের দীর্ঘ বিরতির প্রসঙ্গে নাজমুল বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য এটা কঠিন। সম্ভবত ৯০ শতাংশ খেলোয়াড়ই এখানে খেলেনি। কীভাবে মানিয়ে নিতে হবে, কীভাবে এই ধরনের কন্ডিশন ও বোলিং আক্রমণ সামলাতে হবে, তারা সেটা জানে না।’

তাই দীর্ঘ বিরতিতে নয়, সেনা দেশগুলোর মতো কঠিন কন্ডিশনে নিয়মিত খেলার সুযোগ চান নাজমুল । তর মতে, এক যুগের বেশি সময় পরপর এমন সফর করলে ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা ও মানিয়ে নেয়ার সুযোগ কমে যায়। এ কারণেই শান্তর চাওয়া, ২৩-২৫ বছর অপেক্ষা না করে একই ধরনের কন্ডিশনে নিয়মিত টেস্ট খেলার সুযোগ পাক বাংলাদেশ।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন