পিএসজি-স্পেনকে খোঁচা, ব্যালন ডি’অর নিয়ে মরিনিওর বিস্ফোরক মন্তব্য

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২২:৪৭, ২৯ আগস্ট ২০২৬

পিএসজি-স্পেনকে খোঁচা, ব্যালন ডি’অর নিয়ে মরিনিওর বিস্ফোরক মন্তব্য

ব্যালন ডি’অরের নির্বাচনপ্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মরিনিও। ছবি- সংগৃহীত

ব্যালন ডি’অর কি শুধুই ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের স্বীকৃতি, নাকি এর পেছনে দলীয় সাফল্যও বড় ভূমিকা রাখে? ফুটবলে পুরোনো এই বিতর্কই নতুন করে উসকে দিয়েছেন হোসে মরিনিও। পর্তুগিজ কোচের মতে, কোনো দল চ্যাম্পিয়নস লিগ কিংবা বিশ্বকাপ জিতেছে বলেই সেই দলের কোনো খেলোয়াড়কে বিশ্বের সেরা হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত নয়। বরং যুগের পর যুগ যাদের খেলা মানুষের মনে থেকে যায়, ব্যালন ডি’অর তাদেরই প্রাপ্য।

মরিনিওর চোখে ব্যালন ডি’অর এমন ফুটবলারের হাতে ওঠা উচিত, যার অসাধারণ প্রতিভা ও পারফরম্যান্স তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে দেয়। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি স্মরণ করেছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা, রোনালদো নাজারিও, লিওনেল মেসি ও জিনেদিন জিদানের মতো তারকাদের।

মরিনিও বলেন, ‘আমার কাছে ব্যালন ডি’অর তাদের পাওয়া উচিত, যাদের খেলা থেমে যাওয়ার পরও আমরা মিস করি। আমি ম্যারাডোনাকে মিস করি, নাজারিওকে মিস করি, মেসিকে মিস করি, জিজুকেও (জিদান) মিস করি।’

দলীয় সাফল্যকে ব্যালন ডি’অরের প্রধান মানদণ্ড করার পক্ষেও নন মরিনিও। শুধু কোনো খেলোয়াড়ের দল চ্যাম্পিয়নস লিগ কিংবা বিশ্বকাপ জিতেছে, এই কারণে তাকে ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বের সেরা নির্বাচনের পক্ষে নন তিনি।

এ ক্ষেত্রে একটু ব্যঙ্গের সুরেই মরিনিও বলেন, ‘শুধু কেউ চ্যাম্পিয়নস লিগ কিংবা বিশ্বকাপ জিতেছে বলে তাকে ব্যালন ডি’অর দিতে পারেন না। যদি চ্যাম্পিয়নস লিগকে পুরস্কৃত করতে চান, তাহলে লুইস এনরিকেকে ব্যালন ডি’অর দিন। আর স্পেনের ক্ষেত্রে দে লা ফুয়েন্তে নিশ্চয়ই এটি পাওয়ার যোগ্য।’

বিশ্বসেরা খেলোয়াড়ের পরিচয় কেবল পিএসজি কিংবা স্পেনের মধ্যে সীমাবদ্ধ; এমন ধারণাও মানতে রাজি নন মরিনিও। তার মতে, সেরা খেলোয়াড় একাধিক হতে পারেন এবং তাদের সামর্থ্য সম্পর্কে ফুটবলপ্রেমীদের ভালোভাবেই জানা আছে।

মরিনিওর ভাষায়, ‘বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়কে পিএসজি কিংবা স্পেনের হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। দুজন, তিনজন কিংবা চারজন আছেন, আমরা জানি তারা কারা।’

ব্যালন ডি’অরের নির্বাচনপ্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মরিনিও। তার দাবি, পুরস্কারটির সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাবও জড়িয়ে পড়তে পারে। এ নিয়ে তার স্পষ্ট মন্তব্য, ‘ব্যালন ডি’অরে রাজনীতি আছে। আর যখন রাজনীতি ঢুকে পড়ে, তখন বিষয়টি আমার আর তেমন ভালো লাগে না।’

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন