৮৫০ কোটি টাকার বেস ক্যাম্পে আর্জেন্টিনা, কী থাকছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১১:০৪, ১২ মে ২০২৬
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল
বিশ্বকাপে কেমন হবে আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্প, আর মেসিদের জন্য সেখানে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকছে তা এক নজরে দেখে নেয়া যাক। ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’-এ তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ঘাঁটি হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস সিটির কম্পাস মিনারেলস ন্যাশনাল পারফরম্যান্স সেন্টার।
জ্যাজ সঙ্গীত, বারবিকিউ আর জলপ্রপাতের শহর ক্যানসাস সিটি। এই শহরের একেবারে প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত কম্পাস মিনারেলস ন্যাশনাল পারফরম্যান্স সেন্টার। মূলত মেজর লিগ সকার ক্লাব স্পোর্টিং ক্যানসাস সিটির অনুশীলন কেন্দ্র এটি।
শুধু ট্রেনিং গ্রাউন্ড বললে ভুল হবে এটি আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধাসমৃদ্ধ একটি পূর্ণাঙ্গ ফুটবল কমপ্লেক্স, যা আর্জেন্টিনা দলের বেস ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহৃত হবে। প্রায় ৭৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় সাড়ে আটশো কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৮ সালে প্রায় ৫০ একর জায়গাজুড়ে এটি নির্মাণ করা হয়।
বিশ্বকাপ জয়ীদের এই বেস ক্যাম্পে কী নেই? নিয়মিত অনুশীলনের জন্য তিনটি প্রাকৃতিক ঘাসের মাঠের পাশাপাশি রয়েছে দুটি টার্ফ ফিল্ড।
পারফরম্যান্স সেন্টারটিতে রয়েছে ১২ হাজার ৮০০ বর্গফুটের একটি আধুনিক জিমনেশিয়াম। আছে দুই স্তরের কোচিং প্যাভিলিয়ন এবং অত্যাধুনিক পিচ ল্যাব। কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়দের নিয়ে টেকনিক্যাল আলোচনা করার জন্য লিওনেল স্কালোনি পাবেন একটি আলাদা এডুকেশন এরিয়া।
এছাড়া রয়েছে সুইমিং পুল, হাইড্রোথেরাপি পুল, সোনা ইত্যাদি সুবিধা। পাশাপাশি মেডিকেল সেন্টারে ২৪ ঘণ্টা স্ট্যান্ডবাই থাকবেন একাধিক ডাক্তার ও নার্স।
মাঠসংলগ্ন অংশে মেসি, মার্টিনেজদের জন্য রয়েছে একটি চমৎকার ডাইনিং লাউঞ্জ। এর বাইরে লাঞ্চ ও ডিনারের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও থাকবে।
আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচ আলজেরিয়ার বিপক্ষে। ক্যানসাস স্টেডিয়াম থেকে বেস ক্যাম্পটির দূরত্ব প্রায় ২৭ কিলোমিটার, যা খুব বেশি নয়। এরপর অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের বিপক্ষে খেলতে আলবিসেলেস্তেরা ডালাসে যাবে।



