৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা হাইতির স্কোয়াড ঘোষণা
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩:৪২, ১৬ মে ২০২৬
হাইতির বিশ্বকাপ দল। ছবি: সংগৃহীত
৫২ বছর পর আবারও ফিফা বিশ্বকাপে ফিরেছে হাইতি। কনকাকাফ অঞ্চলের বাছাইপর্বে মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের অনুপস্থিতিকে (আয়োজক দেশ হওয়ায়) পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে ‘লে গ্রেনাদিয়ে’রা। এবার বিশ্বকাপের দলও ঘোষণা করে দিলো তারা।
২০২৬ বিশ্বকাপে হাইতির স্কোয়াড
গোলরক্ষক
জনি প্লাসিদে; বাস্তিয়া
আলেক্সান্দ্র পিয়েরে; সোশো
জোসুয়ে ডুভারজার; এফসি কসমস কোবলেঞ্জ
ডিফেন্ডার
রিকার্দো আদে; এলডিইউ কুইটো
কার্লেন্স আর্কুস; আঞ্জে
মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স; ন্যান্সি
জ্যঁ-কেভিন ডুভার্নে; জেন্ট
ডিউক লাক্রোয়া; কলোরাডো স্প্রিংস সুইচব্যাকস
উইলগুয়েন্স পগ্যাঁ; জুলতে ভারেগেম
হানেস ডেলক্রোয়া; লুগানো
কিটো থারমন্সি; ইয়াং বয়েজ
মিডফিল্ডার
লেভারটন পিয়েরে; ভিজেলা
ডেলি জ্যঁ-জ্যাক; ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন
কার্ল সেইন্তে; এল পাসো লোকোমোটিভ
জ্যঁ-রিকনার বেলেগার্দ; উলভারহ্যাম্পটন
উডেনস্কি পিয়েরে; ভিওলেত্তে
ডমিনিক সিমন; তাত্রান প্রেসভ
ফরোয়ার্ড
ডাকেন্স নাজঁ; এস্তেগলাল
ফ্রানৎসদি পিয়েরো; চায়কুর রিজেসপোর
ডেরিক এতিয়েন জুনিয়র; টরন্টো এফসি
লুইসিয়াস ডিডসন; এফসি ডালাস
রুবেন প্রভিডেন্স; আলমেরে সিটি
জোসুয়ে কাসিমির; অক্সের
ইয়াসিন ফর্চুনে; ভিজেলা
উইলসন ইসিদোর; সান্ডারল্যান্ড
লেনি জোসেফ; ফেরেঙ্কভারোস
প্রধান কোচ: সেবাস্তিয়ান মিগনে
নজর কাড়বেন যারা
এই দলের সবচেয়ে বড় ভরসা নিঃসন্দেহে অধিনায়ক জনি প্লাসিদে। ৩৮ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক অবশেষে নিজের প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ধরে হাইতির জাতীয় দলের অংশ থাকা প্লাসিদের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব কঠিন গ্রুপে দলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
আরেক গুরুত্বপূর্ণ নাম ডাকেন্স নাজঁ। হাইতির ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই ফরোয়ার্ড জাতীয় দলের হয়ে ইতোমধ্যে করেছেন ৪৪ গোল। বর্তমানে ইরানের ক্লাব এস্তেগলালে খেললেও সাম্প্রতিক মৌসুমটা খুব উজ্জ্বল যায়নি তার। তবুও আক্রমণভাগে তিনিই হাইতির প্রধান অস্ত্র।
ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন
১৯৭৪ বিশ্বকাপে হাইতি তিনটি ম্যাচই হেরেছিল। সে সময় আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাদের অভিজ্ঞতা ছিল সীমিত এবং প্রতিপক্ষদের সঙ্গে মানের পার্থক্যও ছিল বিশাল। কিন্তু বর্তমান চিত্র ভিন্ন। এই হাইতি দলে রয়েছেন ইউরোপ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক লিগে খেলা অভিজ্ঞ ফুটবলাররা। পুরো স্কোয়াডে মাত্র একজন খেলোয়াড় এখনও দেশের ঘরোয়া লিগে খেলেন, যা হাইতির ফুটবলের অগ্রগতির বড় প্রমাণ।
২০১৯ গোল্ড কাপে ঐতিহাসিক তৃতীয় স্থান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিল দলটি। সেই সাফল্যই ছিল হাইতির ফুটবলের টার্নিং পয়েন্ট। কৌশলগতভাবে সেবাস্তিয়ান মিগনের দল দ্রুতগতির, শারীরিকভাবে শক্তিশালী এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে পছন্দ করে। দ্রুত বল দখল করে উইং দিয়ে আক্রমণে ওঠাই তাদের প্রধান শক্তি। প্রতিপক্ষের জন্য তাই হাইতি হয়ে উঠতে পারে অত্যন্ত অস্বস্তিকর এক দল।
প্রতিবেদন: বেইন স্পোর্টস



